চেয়ে আছি
মোহা: ইউনুস
চেয়ে আছি তুলে হাত এসো আমার কোলে,
রাত জাগা স্বপ্নের
মালা পরব দুজন মিলে।
এ আকাশ এ ভুবন দিয়েছে
তোমায় ধরা,
হৃদয়ে কিরণ ভোরেছে
তোমার সূর্য, চন্দ্র, তারা।
পাখির গান আর বাতাসের
সুর শুনছো তুমি বসে,
ভূ-মাঝারে যত সুখ
পেয়েছো আজ পাশে।
দিগন্তহীন রহস্যময়
অরণ্যে জ্বলে উঠেছো জোনাকি বেশে,
প্রবেশেছ রাজেশ্বরের
ধ্যানে প্রানে সব স্বপ্নের শেষে।
তাই আলোকহীন এ হৃদয়
ধ্যানে মগ্ন তোমারই স্বর্ণ,
তখন যেন এসোনা গো
আসবে যখন মরণ।
ওই মুন
মোহা: ইউনুস
ওই 'মুন' আজ তোমাকে নিয়েই লিখতে বসা তোমার স্মৃতিগুলো।
তোমার রূপের বর্ননা
কখনোই পারিনি দিতে!
তবুও বলি...
তুমি দেবী
দেবী রূপে নারী
নারী রূপে সরস্বতী।
যার একমাত্র পূজারী
ছিলাম আমি!
আজ হয়তো অন্য কেউ
হয়তোবা সে তোমার অশেষ
কল্পনার চাবিকাঠি।
তোমার ইশারায়....
ঝড়ের বেগে ছুটে আসা
আবেগী এক যুবক!
কে সে?
সে নিশ্চয় আমার মত
খামখেয়ালী নয়,
উগ্র মেজাজী!
আচ্ছা মুন তাঁর মধ্যেও
কি আমার অভ্যাস গুলো খুঁজে পাও?
যাতে আমি প্রতিনিয়ত
অভ্যস্ত ছিলাম..
সেও কি মাঝে মাঝে জামার কলার বা
বোতাম এলোমেলো ভাবে
তোমার সামনে দাঁড়ায়?
লাজুক হাত দুটোর ছোয়া
পাবার আশায়!
বন্ধুদের তোমাকে নিয়ে
করা গুপ্ত মন্তব্যের দুয়ার সেও কি খুলে দেয়?
তোমার মনে পড়ে!
চকলেট, পেয়ারা কিংবা আপেল একটি,
মাত্র একটি তোমার
হাতে তুলে দিতাম, আর
লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে
থাকতাম অর্ধেক ভাগ পাবার আশায়!
বাসের এক সিটে বসে
ক্লান্ত মাথাটি তোমার কাঁধে এলিয়ে দিতাম, সেই হরিণীর চোখ দুটোই একটু অভিমান দেখার জন্য!
আর আমার দেওয়া নামে
পেতাম বাঁকা
চোখের আলতো ঠোঁটে,
গোলাপের পাপড়ি রাশি...
যা আমার জগৎকে করে
তুলতো রঙ্গমঞ্চ!
হ্যাঁগো সেও কি নতুন
নাম পেয়েছে?
পেয়েছে নিশ্চয় তোমার
কল্পনা!
যখন নির্জনে পথ চলতে
চলতে হাতের আঙ্গুল
গুলি ছুয়ে নিত তোমার
দুলানো কোমর।
তখন তোমার ধ্বনির
রঙিন সুরে নামটি আমার হয়ে
উঠত রোমাঞ্চকর!
এখন তার করুন অবস্থা,
তাকে আঁকড়ে ধরেছে নিশীত রাত!
জানো 'মুন' এখন তোমার শেষ শব্দটা ছাড়াই ঘুমাতে হয়।
এখনও সূর্য উদয় হবার
পরেও বালিশে কান পেতে থাকি...
যদি একবার শুধু একবার,
শুনতে পাই।
'ওই কত ঘুম'!
তুমি অনেক দিয়েছিলে,
কণা মাত্র দাও!
তাতেই হবে বিশ্ব জয়।
কেননা আমার কবিতার
ছন্দ গানের সুর
আর ভাষায় অর্থ,
দাড়িয়েছে সিগারেটের ডগায়।
যেমন ভাবে দাড়িয়ে
আছে মরুভূমির ওই গাছটা।।
Comments
Post a Comment